Ticker

6/recent/ticker-posts

Header Ads Widget


📖📕 খালাতো ভাবি

আমার নাম-আলী মুহাম্মদ..
আজ আমি তোমাদের আমার জীবনের একটা স্বরণীয় ঘঠনা শেয়ার করবো।
আমি তখন সবে ইন্টার পরীক্ষা দিয়ে আমার খালার বাড়ীতে বেড়াতে গেছি। তখন২০০৯ সালের জুন মাস।
আম কাঠালের দিন। খালাদের বাড়ীতে অনেক রকম ফলের গাছ, কিন্তু ফল খাওয়ার তেমন কেউ নেই। দুই খালাতো ভাই তখন সৌদি আরবে থাকতো। একা বিশাল এক বাড়ীতে শুধু খালু খালা আর এক ভাইয়োর বৌ, মানে ভাবী। ভাবী আর খালা সব সময় তাদের বাড়ীতে যাবার কথা বলতো। কিন্তু পড়ালেখার জন্য যেতে পারতাম না। পরীক্ষা শেষ তাই গেলাম। আমায় দেখে খালা, খালু ,ভাবি সবাই বেশ খুশি হলো। আমি যেদিন গেলাম সেদিন ছিল শনিবার। আমার যাবার পর বেশ ভাল লাগলো। আম, কাঠাল, আনারস.সব ছিল। সারা দিন ভাবীর সাথে গল্প আড্ডা দিয়ে ২ দিন চলে গেলো। মঙ্গলবার রাতে খালা আমায় বললেন আলী তুই যখন এসেছিস তাই আমি আর তোর খালু তোর মামার বাড়ীতে কাল যেতে চাই। অনেক দিন হলো যেতে পারি না বাড়ীতে বৌ একা থাকবে বলে। দুই তিন দিন পর ই চলে আসবো। তুই থাকলে আমাদের আর চিন্তা করতে হবে না। তুই কি বলিস - যাবো আমরা। তোরা থাকতে পারবি না দুজনে। আমি বললাম পারবো না কেন.? তবে ৩ দিনের মধ্যে চলে আসবে কিন্তু। তারা বললো টিক আছে। তাহলে আমরা কাল ই যাবো কোন সমস্যা হলে জানাবি কিন্তু মোবাইলে। আমি বললাম আচ্ছা। রাতে ঘুৃমালাম। বুধবার সকালে তারা চলে গেলেন। আমি আর ভাবী সারা দিন বাড়ীতে মুক্তি পাখির মতো ঘুর লাম আম খেলাম। খেললাম - ভাবী কে যেন খুব হালকা মনে হলো। মনে হলো এক পরাধীন পাখি আজ স্বাধীন হয়েছে। দুপুর বৃষ্টি হলো। ভাবি বৃষ্টি তে ভিজলো মজা করলো, সন্ধ্যা বেলা ভাবীর ভিষণ জ্বর এলো। থার্মোমিটার দিয়ে মেপে দেখি ১০২+ জ্বর। নাপা ছিল খাইয়ে দিলাম কিন্তু কমছে না। শুধু কুকাচ্ছে। আমি পানি পট্টি দিলাম। মাথায় পানি দিলাম। ৩ থেকে ৪ ঘন্টা পর একটু কমলো। রাত ১২ টার দিকে আমি ঘুমাতে যাবো ভাবছি ঠিক তখনি ভাবি বললো তার নাকি একা ভয় লাগছে আমি যেন তার বিছানাতেই ঘুমিয়ে পড়ি। আমি না ও করতে পারছি না। হ্যা ও বলতে পারছি না। সে অনেক অনুরোধ করছে,তখন আমি বাধ্য হয়ে ই তার কাছে ঘুমালাম। রুমের লাইট আর বন্দ করলাম না। রাত ৩ টার দিকে আমার শরীরে কিসের যেন চাপ টের পেলাম। ঘুম ভেঙে গেলো। দেখি ভাবী আমাকে কুল বালিস বানিয়ে পা তুলে আরামে ঘুমাচ্ছে। কিন্তু তার শরীরে কাপড়ের কোন ঠিকানা নেই। পুরো পাছা দেখা যাচ্ছে। তখন কেন জানি নিজের মাঝে একটু পরিবর্তন টের পেলাম। ভাল করে ভাবীর দিকে তাকালাম। দেখি শরীরের চাপে ব্লাউজের ফাক দিয়ে দুধ গুলোও বেশ দেখা যাচ্ছে। আমার শরীর হট হতে লাগলো। কি করবো - ধরবো কি ধরবো না। অনেক সময় দিধা বোধ করলাম। নাহ ধরে দেখি কিছু বলে কি না। বলে তার পাছায় হাত দিলাম। না সে টের পাচ্ছে না। এবার দুধ ধরলাম। তাকে চিত করে শুয়ে দিলাম। চিত করাতেই দেখি - পুরো গুদ দেখা যাচ্ছে। শাড়ী পেটিকোট উপরে উঠে আছে। বালে ভরা গুদ। মন চাচ্ছিল - ধন টা বের করে ডুকিয়ে দেই। কিন্তু না। এভাবে করলে মজা পাবো না। তাকে জাগাতে হবে। তার আদর ও পেতে হবে। এ ভেবে দুধ টিপতে লাগলাম। অনেক সময় টিপার পর গুদে হাত দিলাম। কয়েক মিনিট হাত বুলালাম গুদের উপর। আর এক হাত দিয়ে দুধ টিপলাম। একটা আগুল গুদে ঢুকাতেই সে কেপে উঠলো। আমার হাতে চেপে ধরলো। কিন্তু কেন জানি মুখে কিছু বলছে না। চুপচাপ শুয়ে আছে। আমি আবার জোর করে ঢুকাতে চাইলাম। সে ঢুকাতে দিচ্ছে না। আমি ঠেলা দিয়ে বিছানায় শুয়ে দিয়ে আমি তার বুকের উপর শুয়ে ঠোঁটে কিস করতে লাগলাম। হাত দিয়ে দুধ গুলো ও টিপে চললাম। কিছু ক্ষন পর সেও আমায় কিস দিতে শুরু করলো। কিস করার মধ্যে আমি তার গুদে আগুল ডুকিয়ে দিলাম। সে জোরে ইস্ করে উঠলো। আমি আস্তে করে তার কানে বললাম তুমি ১৮ মাস ধরে এ সুখ থেকে বঞ্চিত। না বলো না। এ কথা বলার সাথে সাথে আমায় পাগলের মতো ঝরিয়ে ধরে কেঁদে দিল। আমি ত অবাক। আমি জিজ্ঞেসা করলাম কি হলো ভাবী। তোমার ইচ্ছে না থাকলে ঠিক আছে আমি কিছু করবো না। প্লিজ তুমি কেঁদো না। এ কথা শুনে সে আমায় লিপ কিস করতে লাগলো। আমি বুঝলাম সে চায় চুদা নিতে। আমিও তার কাপড় খুলে পুরো নগ্ন করে দুধ চুসতে চুসতে নিচে আগুল মারা শুরু করলাম। দুধ চুসার মাঝে সে বললো শুধু কি এগুলো ই চুষবে, আর কিছু করবে না। আমি কি করবো বলো,। সে বললো ১৮ মাসের না পাওয়া সুখ দাও। বলে আবার কিস দিল, আমি নিচে নেমে গেলাম। বললাম ভাবী বাল এত বড় করছো কেন। সে বললো সারা দিন একা একা থাকি তাই ভাল লাগে না এগুলো কাটতে। কাটলেই কি আর না কাটলেই কি কেউ তো আর দেখবে না। যেদিন সে আসবে তার আগের দিন কাটলেই হবে। এটা ভেবে কাটি না। আর আমি কি করে জানতাম যে তুমি আমার পেটি কোটের নিচে ডুকবে। জানলে তো কেটে রাখতাম। আমি বললাম ঠিক আছে কাল আমি ই কেটে দিব। নিচে মুখ নিয়েই যেতেই সেক্সি একটা গন্ধ নাকে লাগলো। সারা শরীর যেন আরো হট হয়ে গেলো। আচ্ছা করে গুদ চুসলাম কিছু সময়। সে বললো আজ আর না এভাবে তোমার মেশিন ডুকিয়ে আমার অসুখ টা কমিয়ে ফেলো। আমার বাড়াটা বের করে যেই ঢুকাতে যাবো তখন আমার বাড়া ধরে বললো, আরে দাঁড়াও এটার স্বাদ আমাকে একটু নিতে দাও। একথা বলে তার মুখের ভিতর ডুকিয়ে আমার বাড়াটা চুসা শুরু করলো। এমন ভাবে চুসতে লাগলো মনে হলো আমার সব রস যেন তার টানে বেরিয়ে আসবে। অনেক সময় চুসার পর বললো এবার ডুকিয়ে আমার গুদ আবার ফাটিয়ে দাও। যেমন প্রথম বার তোমার ভাই ফাটিয়েছিল। আমি একটু ঘসে গুদের মুখে ধন বসিয়ে ঠেলা দিতেই পুরোটা যেন কোথায় হারিয়ে গেলো। যত জোরে ঠাপ দেই বলে আরো জোরে। এভাবে প্রায় ২০ মিনিট চুদার পর একটু নরম হলো। আবার বেড় করে তার মুখে দিলাম সে চুসে দিল। তাকে ঘুরিয়ে তার পোদের মুখে আমার বাড়াটা বসালাম। ঠেলা দিলাম যেন ডুকতে চাচ্ছে না। তু তু দিয়ে গায়ের সব জোর দিয়ে ঠেলা দিলাম। সে ওমা গো বলে চেচিয়ে উঠলো। পুরো টা ডুকলো না। আস্তে আস্তে চুদলাম ৫/৬ মিনিটের বেশি। পোদ দিয়ে বেশিক্ষণ চুদতে পারলাম না সে না কি ব্যথা পাচ্ছে, তাই আবার গুদে ডুকিয়ে চুদতে লাগলাম। কয়েকটা স্টাইলে চুদলাম। বুঝতে পারলাম গুদের ভিতর গরম পিচলা কিছু লাগছে। যতো গুতা দেই সে চেচায় বলে তোমার কি শেষ হচ্ছে না। কালকের জন্য একটু রাখো গো, আমি আর পারছি না। আমি তাকে কনডম ছাড়াই চুদছি হঠাৎ মনে হড়লো, ধন বেড় করে তার দুধের উপর নিয়ে বললাম হাত মেরে আউট করে দাও, সে চুসলো আর হাত মারলো। অনেক মাল তার দুধে পরলো, আমি তার উপর শুয়ে দুধ গুলো টিপলাম আর কিস করলাম অনেক্ষন। সে বললো এই আলি, তুমি কি মাঝে মাঝে আমাদের বাড়ীতে আসবে, আমায় এমন সুখ দিতে। আমি বললাম আসবো তবে একটা শর্ত আছে। বললো কি শর্ত, আমি বললাম আমি সব সময় কনডম ছাড়া চুদবো তোমাকে। সে বললো ঠিক আছে আমি পিল খেয়ে নিব। সেই রাতে আরো দুই বার চুদলাম। পরের দিন গোসলের সময় বাতরুমে আবার ও চুদলাম। ১১ দিন ছিলাম সেখানে। সেই ১১ দিনে ৩১ বার আমরা সেক্স করলাম। কি যে সুখ, দুজন পেয়েছিলাম, বলে বুজানো যবে না।

Post a Comment

0 Comments